বৈশ্বিক মহামারির কবলে পরেছে গোটা বিশ্ব। এই প্রাননাশকারী ভাইরাসের শিকার হয়ে গোটা পৃথিবীর মানুষ নানা ধরনের ক্ষতির কবলে পরেছে। গবেষকদের ধারনা এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হবে গোটা বিশ্ববাসীর। এমনকি মাল্টিন্যাশনাল করপোরেট কনসাল্টিং ফার্মের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আগামী ১০ বছরে ১০ কোটি মানুষ পেশা পরিবর্তনের শঙ্কায় রয়েছে।
করোনা মহামারি বি/প/র্য/স্ত করে দিয়েছে সারা বিশ্বের সব দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা। কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান পড়েছে হু/ম/কি/র মুখে। মহামারি কেটে গেলেও চাকরির বাজার খুব সহজে স্থিতিশীল হবে না। বলা হচ্ছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ১০ কোটিরও বেশি মানুষ নিজেদের কর্মসংস্থান পরিবর্তন করবেন বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর কর্মজীবীরাই। গবেষণা ফার্ম ম্যাককিনসি অ্যান্ড কোম্পানি প্রকাশ করেছে এমনই প্রতিবেদন। মাল্টিন্যাশনাল করপোরেট কনসাল্টিং ফার্মের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শুরুর দিকে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পেশা পরিবর্তন করবে ৮ শতাংশ মানুষ। এখনকার প্রতিবেদন বলছে, পেশা পরিবর্তন করবে সারা বিশ্বের ১২ শতাংশ মানুষ। এর মধ্যে চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, জাপান, স্পেন, ব্রিটেন আর যুক্তরাষ্ট্রের কর্মজীবীদের পেশা পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে। পূর্বাভাস দেয়া হচ্ছে, ১০ কোটি কর্মজীবী মানুষের মধ্যে এক কোটি ৭০ লাখ মানুষই যুক্তরাষ্ট্রের, যাদের জন্য পেশা পরিবর্তন না করলে টিকে থাকাই কষ্টসাধ্য হবে। এর মধ্যে নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষ ১০ জনের মধ্যে একজনই পেশা পরিবর্তন করবেন।

প্রতিবেদন বলছে, এর মধ্যে যারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, তরুণ, নারী কর্মজীবী আর স্বল্প শিক্ষিত কর্মজীবী, তাদের ক্যারিয়ার মহামারির ধাক্কা থেকে বের হয়ে নতুন করে শুরু করবেন তারা। এর মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই থাকবে ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রের যেসব কর্মজীবীদের কোনো মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, তারাই বেছে নেবেন অন্য পেশা। এর মধ্যে শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গই দেখা যাবে বেশি। ম্যাককিনসির প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, যারা পেশা পরিবর্তন করবেন, তাদের মধ্যে বেশির ভাগকেই মজুরি বাড়াতে হলে আরো প্রশিক্ষণ নিতে হবে। করোনা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশের সরকারের উচিত নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ যারা পেশা পরিবর্তন না করলে টিকে থাকতে পারবেন না, তাদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণমূলক প্রোগাম চালু করা। করোনা-পরবর্তী সারাবিশ্বের আর্থিক খাতকে আবারো স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সব শ্রেণিপেশার মানুষের দেশের অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের বিকল্প নেই বলে মনে করে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।

গোটা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনে। এবং বিশ্ব জুড়ে খাদ্যে এবং অর্থনৈতিক সমস্যা স হ নানা ধরনের ক্ষতির কবলে পড়েছে। এমনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে বিশ্বের অসংখ্য মানুষ প্রান হারিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের মোট ২৪ লাখ ৭৯ হাজার ৬৭ জন প্রান হারিয়েছে। এবং আক্রান্ত হয়েছে ১১ কোটি ২০ লাখ ৭ হাজার ৩০২ জন।