সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে ক্ষমতাধর দেশ গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতি নানা বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করে থাকে দেশটি। তবে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনে বিশ্বের বেশ কিছু দেশের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি অনেকে দেশের প্রতি নানা ধরনের বিধি-নিষেধও জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে একটি দেশ চীন। তবে সকল বিরোধ নিরসনে একে অন্যের সঙ্গে চেষ্টা করছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনে চীনের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক ছিল যাচ্ছেতাই। কিন্তু চার বছরের মধ্যে ক্ষমতার ইতি ঘটে ট্রাম্পের। এরপর মার্কিন মসনদে বসেছেন জো বাইডেন। মনে করা হচ্ছিল, এবার হয়তো চীনের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারে আমেরিকা। কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢেলে বেইজিংয়ের ওপর আরও চাপ বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। এর তাতে ফলও মিলেছে। সরাসরি সং/ঘা/তে/র পথে না হেঁটে এবার প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে চাইছে শি জিন পিং প্রশাসন। সম্প্রতি চীনের সঙ্গে টক্কর আরও জোরদার হতে চলেছে বলে সাফ বার্তা দিয়েছিলেন বাইডেন। হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে চীনকে রুখতে মিত্র দেশগুলোর কাছে একসঙ্গে কাজ করার আবেদন জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাইওয়ান নিয়েও চীনকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। সম্প্রতি আমেরিকা-চীন সম্পর্ক নিয়ে একটি সেমিনারে বক্তব্য রাখেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। সেখানেই পরিচিত সং/ঘা/তে/র সুরের বদলে তাঁর গলায় শোনা যায় আপসের সুর। তিনি চীনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক দল ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আবেদন জানান চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী। চীনা সরকারের সংবাদমাধ্যম ’গ্লোবাল টাইমস’ সূত্রে খবর, চীনা নববর্ষ উপলক্ষে বাইডেন ও জিন পিংয়ের বার্তা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ বলেই মত চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

চীন পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল দেশ। সম্প্রতি দেশটি নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে প্রতিবেশী দেশ গুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ গুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ভাবে দূর্বল দেশ গুলোকে অর্থনৈতিক ভাবেও সাহায্যে-সহযোগিতা করছে। এমনকি ইউরোপীয় দেশ গুলোর সাথে বানিজ্যে ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে ব্যপক সফলতা অর্জন করেছে।