নাটোরের নলডাঙ্গায় ৮ ফুট লম্বা ৩১ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ রেজাউল করিম পরান ও নজরুল ইসলাম নামের দুই ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার রামশাকাজিপুর কামার পাড়া গ্রাম থেকে গাঁজা চাষী দুই ভাইকে আটক করে। আটক দুই ভাই রেজাউল করিম পরান ও নজরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফা কামাল জানান, আজ বুধবার দুপুরে গোপন সংবাদে এস আই আবু সাঈদ ও এস আই আমিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ রামশাকাজিপুর কামার পাড়া গ্রামের আব্দুল কাদেরের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ির পিছন থেকে ৮ ফুট লম্বা ৩১ কেজি ওজনের একটি গাঁজার গাছ পেয়ে জব্দ করে এবং গাঁজা চাষী দুই ভাই রেজাউল করিম পরান ও নজরুল ইসলামকে আটক করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
দুই মাসে বেতন পাননি ৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী
নাটোরের গুরুদাসপুর বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারি কলেজের ৭৪ শিক্ষক-কর্মচারীরা দুই মাস (নভেম্বর-ডিসেম্বর) ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেননা। ওই কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রেজাউল করিম বর্তমান অধ্যক্ষের কার্যক্রম বন্ধ চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট-পিটিশন করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
কলেজ সুত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল কলেজটি সরকারিকরণের পর ৩০ জুন বগুড়া আজিজুল হক সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ (৪৯৯১) নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে এখানে যোগদান করেন। কিন্তু কর্মরত অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিমকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে কর্মরত অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম বর্তমান অধ্যক্ষ আলী আশরাফের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে গত ২০ নভেম্বর-২০১৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্টে রিটপিটিশন (নং-১৩৯৬/২০১৬) দায়ের করেন। আদালত অধ্যক্ষ আলী আশরাফের পদায়ন/বদলীতে চার মাসের স্থগিতাদেশ দেন। এরপর থেকে সকল শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানের সকল আয়ন-ব্যয়নসহ যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত হয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, কর্মরত অধ্যক্ষের রিট-পিটিশন করায় কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয় করণে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষক-কর্মচারীরা কয়েক দফা মিছিল, মানববন্ধনসহ অনশন কর্মসুচি পালন করে। বর্তমানে বেতন বন্ধ থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে অমানবিক জীবন-যাপন করছেন তারা। বিষয়টি অতি দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার।
অপরদিকে কর্মরত অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের বিষয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে অবহিত হবার পরও তিনি আদেশটির আলোকে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেননি। তিনি নিয়মিত কলেজে আসছেন, অফিসও করছেন। উপরন্ত নবাগত অধ্যক্ষ কিছু শিক্ষক-কর্মচারীকে নিজের পক্ষে নিয়ে তার করা রিট-পিটিশন তুলে নেয়ার জন্য নানাভাবে চাপ সৃষ্টিসহ ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
নবাগত অধ্যক্ষ আলী আশরাফ মুঠোফোনে বলেন, তিনি আদালতের আদেশের কপি হাতে পাননি। তবে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অফিসের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। এ কারনে তিনি আপাতত বেতন-ভাতার বিলে স্বাক্ষর করতে পারছেন না। তবে নিয়মিত অফিস করছেন তিনি। কর্মরত অধ্যক্ষকে চাপ সৃষ্টির অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন তিনি।



somoyerkonthosor

News Page Below Ad