বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক বিরোধী দল জাতীয়বাদী দল বিএনপি। বহু দিন ধরে তারা ক্ষমতার বাইরে। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী। রাজনৈতিক কর্মকান্ড সহ দূর্নীতির দ্বায়ে অনেক কয়েকটি মামলা হয় তার নামে। কিছু মামলায় তিনি জামিন ও পে্যেছেন তবে দূর্ণীতির মামলায় তার সাজা হয়। এই দূর্ণীতির মামলায় তিনি সাজা খাটছেন।
বিএনপি নেতারা বলেছেন, তাদের জোট কোনো সহিংসতা বা সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে না। জনগণকে এক করে গণতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা। শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলাদা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা।

বিএনপির শীর্ষ নেতারা আরো বলেছেন, আন্দোলন কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে করলে হবে না, এজন্য মানুষকে সংগঠিত করতে হবে। নেতারা বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে আন্দোলনে লক্ষ্যে সবাইকে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সমাজের সকল ক্ষেত্রে আজকে পচন লেগেছে। এই পচন থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে, এই স্বৈরাচার সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। গণতন্ত্রের মা আজ কারাগারে রয়েছে তাকে মুক্ত করতে হবে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কাউকেই সহ্য করতে পারছে না। অন্য কেউ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কাজ করলে সেটাকেও ধ্বংস করে দিচ্ছে। এখন সময় হয়েছে ঐক্যের। গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নেমে পড়া।

চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শারিরীক ভাবে অসুস্থ এমনটা জানিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা তার জামিন এর জন্য হাইর্কোটে আবেদন করেছে। এবং দলীয় নেতাকর্মীরা নানা কর্মসূচী পালন করছে তার মুক্তির দাবি জানিয়ে। বিএনপি রাজণৈতিক ভাবে এখন নানা সংকটের মধ্য রয়েছে। এছাড়াও বিএনপির অনেক ছিনিয়ার নেতারাও কারাগারে বন্দী জীবন-যাপন করছেন। দলকে শক্তিশালী ও সকল নেতাকর্মীকে একত্রিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি নেতারা।