বিশ্ব জুড়ে বাংলাদেশের ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য বাংলাদেশী রয়েছে। তারা সততা ও সম্মানের সাথে অনেক গুরুত্ব পূর্ন কাজ করছে। এমনকি রাজনৈতিক ভাবেও যুক্ত রয়েছে অনেক বাঙালি। লন্ডনের রামসগেট শহরের মেয়র বাংলাদেশী রওশন আরা রহমান। তার এই সফলতা বাংলাদেশের জন্য গৌরবের ও সম্মানের। প্রবাসীরা নিজের সঙ্গে সঙ্গে দেশের ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে থাকে।
নিজ গ্রামে ফিরে সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন লন্ডনের রামসগেট শহরের মেয়র রওশন আরা রহমান। তিনি মানিকগঞ্জের সিংঙ্গাইরে গ্রামের বাড়ি পৌঁছালে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার যোগে সিংঙ্গাইর উপজেলার ইরতা কাশিমপুর গ্রামে পৌঁছেন রওশন আরা রহমান। এ সময় গ্রামবাসী তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। যে স্কুলে তিনি লেখাপড়া করেছেন সেই স্কুলসহ কয়েকটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তালেবপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রওশন আরা রহমান বলেন, গ্রামে আসতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। এলাকাবাসীর ভালোবাসায় আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। বিগত সময়ের মতো গ্রামের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই।

২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ রফিকের বাড়িতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রওশন আরা। রওশন আরা গত বছরের ১৪ মে লন্ডনের রামসগেট শহরের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ওই শহরে এশীয় বংশোদ্ভূত প্রথম মেয়র। মেয়র হওয়ার পর প্রথমবারের মতো গ্রামের বাড়িতে আসলেন তিনি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন। এর আগে লেবারপার্টির হয়ে কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করেন রওশন আরা। অংশ নেন সংসদ নির্বাচনেও।

উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও গতিশীল হচ্ছে। এর মূলে প্রবাসীদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রবাসীদের দেশে পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে শক্তিশালী করে। প্রবাসীদের দেশে পাঠানো অর্থকে রেমিট্যন্স বলা হয়। এবং প্রবাসীদের রেমিট্যন্স যোদ্ধা হিসাবেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।