দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের সরকারের দায়িত্ব রয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পদ-পদবি নিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ বিরাজ করছে। তবে আবার অনেকেই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন। এবার এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোষ্ট দিয়ে বেশ কিছু কথা জানালেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম।
অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দীন এবং বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হককে সদস্য হিসেবে রেখে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে নতুন পুরনো অনেক নেতা কর্মীকেও। উপ কমিটি নিয়ে খুশি যেমন অনেকেই, তেমনি ক্ষুব্ধও অনেক নেতা। উপ কমিটি নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম তার নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটা পোস্ট করেছেন। পোস্টটি ছিলো- "মাননীয়রা, আপনাদের উপ কমিটি দেওয়া শেষ হইলে দয়া করে একটা প্রেস রিলিজ দিয়া জানাইয়েন যে একটি সফল কর্মযজ্ঞের (চেইন অফ কমান্ড ভঙ্গের খেলা) সমাপ্তি হয়েছে। তাইলে আমরাও যারা আমকর্মী আছি অর্থাৎ অভিনন্দন পার্টি আমরাও আমাদের অভিনন্দন জানানো ক্ষান্ত দিতে পারবো। ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি অভিনন্দন জানাতে জানাতে।"

তিনি আরও লেখেন- "নেতার নেতা, তার নেতা, নেতা, নেতার কর্মী, কর্মীর কর্মী, জীবনে প্রথম পদ ওয়ালাদের দেখতে দেখতে হ-য-ব-র-ল লাগতাছে। খালি একটা উদাহরণ দেই, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য লেবেলের একজন শিক্ষকও উপকমিটির মেম্বার। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকও মেম্বার, আবার আমাদের দুই কমিটির পরের কমিটির নেতাও একই ক্যাটাগরির মেম্বার। আবার কারও কারও বাসার ব্যক্তিগত লোকও মেম্বার, আবার কারও কারও নিজের গ্রুপ ভারী করার জন্য ইউনিয়ন লেবেল থেকেও মেম্বার করেছেন।" সবশেষে উপহাসের ভঙ্গিতে নাজমুল লেখেন, "আমরা অভিনন্দন জানাতে জানাতে ক্লান্ত!!!!!! আবারও সবাইকে অভিনন্দন। কারণ দলীয় সিদ্ধান্ত অপছন্দ হইলেও মানতে বাধ্য।"

এদিকে সম্প্রতি দলের কেন্দ্রীয় বেশ কিছু নেতা দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়া নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এমনকি জানিয়েছে এই সকল বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।