বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি। দীর্ঘ সময় ধরে এই দলটি ক্ষমতার বাইরে রয়েছে। সম্প্রতি এই দলটি তাদের দলীয় সকল কর্মসূচি স্থগিত করেছে। মূলত দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ তীব্র আকার ধারন করায় দলটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে দলীয় সকল কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি। বুধবার (৩১ মার্চ) বিকেলে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানানো হয়, আগামী ১ এপ্রিল থেকে বিএনপির সকল কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিত বলবৎ থাকবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জাগো নিউজকে বলেন, ’সরকারের উদাসীনতার কারণে করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নেতাকর্মী এবং দেশের জনগণের সার্বিক দিক বিবেচনা করে জনসমাগম হয়, স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ হয়-এমন সব কর্মসূচি বিএনপির পক্ষ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো। তবে টেলিফোন, মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে নেতাকর্মী, জনগণের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত হয় না পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে।’ এদিকে আগামীকাল ১ এপ্রিল যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদল সম্মিলিতভাবে যে সারাদেশে যৌথ বি/ক্ষো/ভ কর্মসূচি আহ্বান করেছিল তা স্থগিত করা হয়েছে। তিন সংগঠনের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে এই স্থগিতের কথা জানানো হয়।

দেশে হঠাৎ করেই করোনা সংক্রমনে আক্রান্ত এবং মৃ"ত্যুবরনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্যে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের বেশ কিছু দেশে এই ভাইরাসটি মারাত্মক রুপ ধারন করেছে। এখন পর্যন্ত দেশে ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৬ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ জন। এবং মৃ"ত্যুবরন করেছে ৯ হাজার ৪৬ জন।