বিশ্বের যে দেশই হোক না কেন, পাসপোর্ট ছাড়া যাওয়া অসম্ভব। দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি ভিসাও প্রয়োজন। তবে ভিসা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া বেশ ঝামেলার। তাছাড়া বাড়তি টাকা-পয়সাও খরচ হয়। তাই ভিসা ছাড়া কয়টি দেশ ভ্রমণের সুবিধা রয়েছে সেই অনুযায়ী পাসপোর্টের ক্ষমতা মাপা হয়। সারাবিশ্বের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া কয়টি দেশে যাতায়াতের সুযোগ পান তারই র‌্যাংকিং হলো হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। পৃথিবীর ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) বিশেষ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর পাসপোর্টের র‍্যা​ঙ্কিং প্রকাশ করেছে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। র‍্যা​ঙ্কিংয়ের প্রথম দুটি স্থানে রয়েছে এশিয়ার তিন দেশ। তবে এর মধ্যে যৌথভাবে এক নম্বরে আছে জাপান ও সিঙ্গাপুর। এই দুই দেশের নাগরিকরা ১৯০টি করে দেশে ভিসামুক্ত কিংবা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাবেন।
২০১৯ সালের শীর্ষ ১০ শক্তিশালী পাসপোর্ট
১. জাপান, সিঙ্গাপুর (১৯০ দেশ)

২. ফিনল্যান্ড, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া (১৮৮ দেশ)

৩. ডেনমার্ক, ইতালি, লাক্সেমবার্গ (১৮৭ দেশ)

৪. ফ্রান্স, স্পেন, সুইডেন (১৮৬ দেশ)

৫. অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল (১৮৫ দেশ)

৬. বেলজিয়াম, কানাডা, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড (১৮৪ দেশ)

৭. মাল্টা, চেক রিপাবলিক (১৮৩ দেশ)

৮. নিউজিল্যান্ড (১৮২ দেশ)

৯. অস্ট্রেলিয়া, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া (১৮১ দেশ)

১০. হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, স্লোভেনিয়া (১৮০ দেশ)

প্রসঙ্গত, বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্ট ইরাক ও আফগানিস্তানের। এ দুটি দেশের নাগরিকরা মাত্র ৩০টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। তাদের অবস্থান ১০৪ নম্বরে। কম সুযোগ-সুবিধা পাওয়া পাসপোর্টধারীদের মধ্যে সোমালিয়ার ৩২টি (১০৩তম), পাকিস্তানের ৩৩টি (১০২তম), ইয়েমেনের ৩৭টি (১০১তম), ইরিত্রিয়ার ৩৮টি (১০০তম), ফিলিস্তিন ও সুদানের ৩৯টি দেশে (৯৯তম) ভিসা ছাড়া যাতায়াতের সুযোগ আছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের ৪১টি দেশে ভিসামুক্ত যাতায়াতের সুবিধা পান। ২০১৯ সালের হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে লাল-সবুজ পতাকার অবস্থান ৯৭ নম্বরে।