ফের হেঁটে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নগরভবনে গেলেন নবনির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাসা থেকে বের হন দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত এই মেয়র।
এ সময় কয়েক হাজার নেতাকর্মী তার সঙ্গে ছিলেন। বেলা সোয়া ১১টায় তিনি নগরভবনে প্রবেশ করেন। সে সময় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ ছাড়া বাসা থেকে নগরভবনে যাওয়ার সময় পুরো রাস্তার দুই পাশে কয়েক হাজার লোকজন ফুল ছিটিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী বলেন, আমি নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ। কারণ তিনি জনতার হৃদয়ের স্পন্দন বুঝে নারায়ণগঞ্জের মানুষের প্রতি আস্থা রেখে বিশ্বাস রেখে আপনাদের প্রিয় সন্তান আপনাদের বোন প্রিয় আইভীর হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছিলেন। নারায়ণগঞ্জের মান-সম্মান-ইজ্জত রক্ষা করে সেই নৌকায় জনতার রায় ভোট দিয়ে আমাকে এবার নির্বাচিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে আইভী বলেন, জয়তু শেখ হাসিনা। আপনারা যে সম্মান দিয়েছেন আমি ও আমার পরিবার আপনাদের ঋণ কোনোদিনই শোধ করতে পারব না। তাই জীবনের শেষবিন্দু পর্যন্ত আমি নারায়ণগঞ্জবাসীর সেবা করতে চাই সবার পাশে থাকতে চাই। তিনি বলেন, আমার দাদা, আমার বাবা ও আমি প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সেবা করে যাচ্ছি। আমার বাবা আওয়ামী লীগের হলেও তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সকলের সেবা করেছেন। আমিও আমার বাবার পথেই কাজ করতে চাই। আমার বাবা কখনো দল ও জনগণের সঙ্গে বেইমানি করে নাই। আমিও শেখ হাসিনার কর্মী আওয়ামী লীগের কর্মী আমিও কখনো বেইমানি করব না। নগরভবন হবে সার্বজনীন।
নিজের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইভী বলেন, এখানে টেন্ডারবাজি, দলবাজি হবে না। আমি অতীতের মতো অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধেই থাকব। দল মতের ঊর্ধ্বে গিয়ে আমি সবার সেবা করব। এবার ইনশাআল্লাহ শহরের দেওভোগে লেক নির্মাণ করা হবে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে শীতলক্ষ্যা সেতুর কথা বলেছি। আমি বিশ্বাস করি নারায়ণগঞ্জবাসীর কথা ভেবে, বন্দরবাসীর কথা ভেবে লক্ষ্যাপারের মানুষের কথা ভেবে এবার তিনি সেতু করে দিবেন। আগামী ৫ বছর আমি শুধু কাজ আর কাজ করতে চাই। তিনি বলেন, ৮ বছর পৌরসভা ও ৫ বছর সিটি করপোরেশন চালানোর সময়েও একটি টাকার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।
 
taza-khobor

News Page Below Ad