বাংলাদেশ দক্ষিন এশিয়ার একটি দেশ। এই দেশের সীমান্ত ঘীরে রয়েছে আরো অনেক দেশ। উল্লেখিত, ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ। এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের ঘনিষ্টপূর্ন সম্পর্ক রয়েছে। দেশের প্রয়োজনে এক দেশ থেকে অন্য দেশ প্রয়োজনীয় পন্য আমদানি রফতানী করে থাকে। এতে করে দেশের ও ভাবমূর্তি বজায় থাকে।
চাহিদার তুলনায় আমদানি অপ্রতুল এবং মজুদে ত্রুটি থাকায় পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, বৃষ্টির কারণে কৃষক পেঁয়াজ উত্তোলনের সময় মজুদ করতে পারেননি, এখানে ঘাটতি ছিল। ভারত পেঁয়াজের রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে- আমরা বুঝতে পারিনি। এখানে আমাদের হয়তো ভুল থাকতে পারে, আমাদের আগেই একটা জরিপ করা দরকার ছিল। কতটা উৎপাদন হয়েছে, কতটুকু আমরা আমদানি করব।

পেঁয়াজের প্রয়োজন ২৫-২৬ লাখ টন উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাইরে থেকে এখন ৩০০ টন, ৫০০ টন আসছে। ব্যবসায়ীরা তা ফলাও করে প্রচার করে। এতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, কিন্তু বাজারে এর প্রভাব পড়ে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, যে কোন পণ্যের দাম নির্ভর করবে চাহিদা এবং সরবরাহের ওপর। কি পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, কি পরিমাণ সরবরাহ হচ্ছে। র‌্যাব, পুলিশ ও সেনা বাহিনীসহ কোন কিছু দিয়েই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুল মুঈদ, কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান কবির ইকরামুল হক, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সায়েদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের লোকজন অংশ নেন। এর আগে মন্ত্রী প্রতিষ্ঠানে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ফলকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমানে পেঁয়াজ এর মজুদ নেই। উৎপাদন ক্ষেত্রে ও প্রয়োজনের তুলনায় তেমন উৎপাদন হয়নি। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দূর্যোগে ফসল এর ক্ষতি হয়েছে। এতে করে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে সারা দেশ ব্যাপী। সরকার এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করছে পেঁয়াজ।