নতুন এক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে মানুষের মাঝে। এই আতঙ্ক করোনা নামে এক নতুন ভাইরাস। এই ভাইরাসের নতুন নামকরন করা হয়েছে ’কোবিড১৯’ নামে। বিশ্ব জুড়ে এক মহামারি আকার ধারন করেছে ভাইরাসটি। প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা। এবং প্রান নাশের সংখ্যাও বাড়ছে। বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জন শনাক্ত হয়েছে। এরই সুবাদে বাংলাদেশের মানষের মাঝে এক ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
করোনাভাইরাস নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে কারো মাঝে লক্ষণ দেখা দিলে তা গোপন না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ’পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো মাঝে এ ধরনের ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কোনোরকম উপসর্গ দেখা গেলে সেটা না লুকিয়ে ডাক্তার দেখানো এবং পরামর্শ নেবেন, চিকিৎসা নেবেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে এটা মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এখনো ভালো আছে, ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কিন্তু এটা থেকে ভালো থাকার জন্য আমাদের আরও সচেতন হতে হবে। সবাইকে বলবো, সচেতন থাকা দরকার। আমরা সব সময় হেড বুলেটিন দিয়ে যাচ্ছি। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) মাধ্যমে সব সময় জানানো হচ্ছে। সেগুলো অনুসরণ করবেন। নিজেরা সচেতন থাকবো, অপরকে সচেতন করবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সচেতনতামূলক যে সমস্ত নির্দেশনা আসছে সেটা সবাইকে মেনে চলতে হবে। তাহলেই আমরা কিন্তু আমাদের দেশটাকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, সবাইকে অনুরোধ করবো, হাঁচি-কাশি এলে আপনারা হাতের তালুতে না নিয়ে কনুয়ের মাধ্যমে করেন। আর কারও সঙ্গে হাত মেলাবেন না, হাত মেলানো, কোলাকুলি করা, বা কাউকে জড়িয়ে ধরা এগুলো সব বন্ধ রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে সবান দিয়ে হাত ধোবেন। কখন কার মধ্যে যে এই রোগ আছে, কার মাধ্যমে চলে আসে এটা কেউ বলতে পারে না। যেখানে সেখানে থুথু, ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ। এই দলের সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশে করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। এবং এরই লক্ষ্যে কাজ করছেন। দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন সর্তকমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। এবং দেশবাসীকেও সর্তকমূলক পরামর্শ প্রদান করেছেন।