বিশ্বের বহুল আলোচিত ও জনপ্রিয় অন্যতম একটি খেলা ফুটবল। বিশ্বের অনেক দেশ এই খেলায় অংশগ্রহন করে থাকে। বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এবং বিজয়ী দলের মধ্যে পুরষ্কার প্রদান করে থাকে ফিফা। ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক সংস্থা ফিফা। এই অঙ্গনেও করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। করোনা ভাইরাসকে ঘিরে আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে সকল ধরনের খেলা সাময়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে।
করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়তই বাড়ছে এই ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা। এ অবস্থায় অনেকেই সহযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছেন। এবার সে তালিকায় নাম লেখালেন বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জেমি ডে। সহকারী কোচ এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর স্টুয়ার্ট ওয়াটকিসসহ করোনা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রতি বার্তা পাঠিয়েছেন জেমি ডে।

প্রিয় বাংলাদেশের মানুষ, স্টুয়ার্ট (ওয়াটকিস) ও আমি (জেমি ডে) এই দুঃসময়ে আমাদের সমর্থকদের জন্য কিছু বলার প্রয়োজন অনুভব করছি। সামনের মাসগুলো হতে যাচ্ছে কঠিন পরীক্ষার সময়। জাতি হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে এ সময়টা কাটাতে হবে আমাদের। দয়া করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার নির্দেশনা মেনে সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বিচক্ষণ পদক্ষেপ নিন এবং যারা ঝুঁকিতে আছে, তাদের রক্ষায় সাহায্য করুন।

সময়ের প্রয়োজনে বাংলাদেশের মানুষ একসঙ্গে প্রার্থনা করে এবং কাজ করে। এখন আমাদের ভিন্নভাবে একতা দেখাতে হবে, পরস্পরকে রক্ষা করতে হবে। এর মানে হচ্ছে, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে পরস্পরের দূরে থাকতে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সামাজিক দূরত্ব।

অসাধারণ এই দেশটির মানুষ আত্মশৃঙ্খলায় দারুণ দক্ষ এবং এখন এটার চর্চা করতে হবে ভিন্ন কারণে। আমার বিশ্বাস, আপনারা পারবেন। আমাদের জাতীয় দলের খেলা আপাতত থমকে গেছে। কিন্তু যখন ফেরার সময় হবে, আমি আবারও দলকে গর্বের সঙ্গে সামনে এগিয়ে নেব। এই কঠিন সময়ে আপনাদের জন্য আমাদের ভালোবাসা ও শুভ কামনা থাকল যেন সবাই শক্ত থাকতে পারেন। আমাদের প্রার্থনায় বাংলাদেশিরাও আছেন।’

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বের এক আতঙ্কের নাম। এই ভাইরাসের শিকার হয়ে অসংখ্য মানুষ প্রান হারিয়েছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও ক্ষতির দিকে ধাবিত হচ্ছে এই করোনা ভাইরাসকে ঘিরে। এবং বানিজ্যিক কর্মকান্ডও থমকে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশ অন্যান্য অনেক দেশের সাথে সাময়িক ভাবে যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য।